Saturday, April 29, 2023

নারীরা সংসারে একটা সাপোর্ট দিতে পারছে।

 ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনে কমবে বেকারত্ব, সহনীয় হবে মাংসের দাম




মাংস উৎপাদনে আমাদের দেশ এখনো অনেক পিছিয়ে, সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। বর্তমানে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তারা দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে, পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের অধিকার বেশি বাস্তবায়ন হচ্ছে। পাশাপাশি নারীরা সংসারে একটা সাপোর্ট দিতে পারছে। এই ছাগল বিক্রি করে যে কোনো সময় সে আয় করতে পারে। সেই বিবেচনায় ক্ষুদ্র খামারি বা দারিদ্র্য বিমোচনে ব্ল্যাক বেঙ্গল একটা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনে নারীদের উদ্যোগী হওয়ার জন্য,নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য সরকার বর্তমান সময়ে বিভিন্ন উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে

এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচিত ছাগল পালন খামারি, পাঁঠা পালনকারী ও ছাগল উন্নয়ন কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনে করণীয়, রোগ প্রতিরোধ, টিকা, ছাগলের বিকল্প দুধ হিসেবে মিল্ক রিপ্লেসার তৈরি করে খাওয়ানোর নিয়মাবলি, প্রাকৃতিক প্রজনন সেবাসহ ছাগল পালনের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শেখান।

প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেড় হাজার প্রান্তিক পর্যায়ের ছাগল খামারিকে তিনদিনের আবাসিক ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ১ হাজার ৫৭০ জন খামারিকে একটি করে বিজ্ঞানসম্মত মাচাযুক্ত ছাগলের মডেল শেড/ঘর, ছাগলের বাচ্চার পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মিল্ক রিপ্লেসার (ফর্টিফাইড মিল্ক পাউডার), কৃমিনাশক ও অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। জাত উন্নয়নের জন্য প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে বিদ্যমান পাঁঠার মধ্য থেকে সঠিক কৌলিকমানসম্পন্ন ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের পাঁঠা চিহ্নিত করে প্রতি উপজেলায় একজন পাঁঠা পালনকারীকে একটি করে বিজ্ঞানসম্মত মাচাযুক্ত ছাগলের মডেল শেড/ঘর দেওয়া হয়েছে। এসব পাঁঠার ব্রিডিং রেকর্ড সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সার্বিকভাবে এ ধরনের সরকারি উদ্যোগ প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের ছাগল পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।
শামীম,


No comments:

Post a Comment

slider